বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৫:১৩ অপরাহ্ন

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলা আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন পরিবারের (ভিডিওসহ)

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • হালনাগাদ সময় : মঙ্গলবার, ১৫ জুন, ২০২১
  • ৯৩ বার

ঠাকুরগাঁওয়ে ধর্ষন মামলা আসামীকে পুলিশের সহযোগীতার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভুগী পরিবার। আজ মঙ্গলবার দুপুরে জেলা শহরের একটি রেস্তরায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সাংবাদিকদের কাছে লিখিত অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভুগী নারী লিখিত বক্তব্য পাঠ করে বলেন, আমি ঠাকুরগাঁও জেলার একজন নিরিহ নির্যাতিতা নারী। নাসিং এর উপড় ডিপ্লোমা শেষ করে প্রায় তিন বছর আগে পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি উপজেলার নিউ পপুলার ও ডায়গনষ্টিক সেন্টার ও ক্লিনিকে নার্সের চাকুরিতে যোগদান করি।

চাকুরি শুরু করতে না করতেই ওই ক্লিনিকের মালিক সাইফুল ইসলাম বিবাহের তত্য গোপন করে আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়। তা আমি বার বার প্রত্যাখান করি। পরবর্তিতে কৌশলে ক্লিনিকের একটি কক্ষে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষক করে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দু বছর যাবৎ মেলামেশা করে।

পরবর্তিতে সে আমাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে আমি আইগত ব্যবস্থার জন্য পরিবারের ও স্বজনদের পরামর্শ নেই। তা জানতে পেরে সাইফুল ও তার স্ত্রী আমাকে শারিরিক ও পাশবিক নির্যাতন করে ক্লিনিকের বাইরে ফেলে দেয়। ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

সুস্থ্য হয়ে মামলার সিদ্ধান্ত নিলে সাইফুল আবারো কৌশল খাটিয়ে গত ৩১ মে ২০২১ইং তারিখে বিবাহের আলোচনার কথা বলে ঠাকুরগাঁও শহরের টিকাপাড়াস্থ তার ভায়রা আলমগীরকে দিয়ে সন্ধ্যায় আমাকে ডেকে নেয়। সেখানেও সাইফুল একটি কক্ষে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষন করে এবং দুইলাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি বারাবারি করতে নিষেধ করে।

আমি রাজি না হলে সাইফুল তার ভায়রা আলমগীরসহ পরিবারের লোকজন বেধরক পারপিট করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুলিশ খবর পেয়ে উদ্ধার সদও হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তিতে এ ঘটনায় সদর থানায় মামলা করতে গেলে এসআই আব্দুস সামাদ শুরুতে আমাকে মামলা না করতে ভয়ভীতি দেখায়।

পরে আমার পরিবার ও স্বজনরা উপস্থি হলে আমার করা এজাহার ফেলে রাখে। এসময় আমাকে অভয়দিয়ে তিনি নতুন করে এজাহার লিখবেন বলে চারটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে পাঠিয়ে দেয়। পরবর্তিতে একটি মামলা করা হলেও সেখানে ধর্ষনের কথা উল্লেখ করেন নি। পরে আমি জানতে পারি এস আই সামাদ আসামীদের নিকটতম আত্মীয়। এসআই সামাদ তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আসামীদের গ্রেফতার না করে জামিনে সহযোগীতা করেন।

আমি ওই মামলায় সন্তুস্ট হতে না পেরে গত ৭ জুন আদালতের দারস্ত হয়ে সাইফুল, বিউটি আক্তার, আলমগীর ও বিলকিস এর নাম উল্লেখ করে আরেকটি মামলা করি। আমার আবেদন নরপশু সাইফুলসহ সকল আসামীদের গ্রেফতারের দাবি করছি। সেই সাথে একজন পুলিশ কর্মকর্তা কেন এই অন্যায় কাজটি করেছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হোক। ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্তের দায়িত্ব অন্যকাউকে দিয়ে মামলা পরিচালনার অনুরোধ করেন জেলার পুলিশ সুপার মহোদয়ের কাছে।


ভিডিওটি দেখতে ছবিতে ক্লিক করুন :

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2019 journaleye24
Theme Download From journaleye24.com
themesba-lates1749691102